নিজেই তৈরি করবো ড্যান্সিং লাইট

এটি একটি ড্যান্সিং লাইট। কয়েক ভাবে এলইডিগুলো জ্বলবে। এটি দুইটি CD4017 এবং একটি NE555 আইসি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এখানে ভেরিয়েবল রেজিষ্টরের মান পরিবর্তন করে এলইডিগুলো কম এবং দ্রুত গতিতে জ্বালানোর কাজটি করা হয়।

Electrical and Electronics Engineernig

এটি Proteus 8 দ্বার করা হয়েছে। নিচে Proteus ফাইল ডাউনলোট লিংক দেওয়া আছে। এখান থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

DOWNLOAD: Dancing Light

বিকল্প পদ্ধতিতে A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণগুলো লেখা (Capital Letter)

যদি আপনার কী-বোর্ডে A-Z পর্যন্ত যেকোন একটি বা তারও বেশী কী কাজ না করে তাহলে বিকল্প পদ্ধতিতে নিচের কীগুলো প্রেস করলে প্রয়োজনীয় বর্ণগুলো পাওয়া যাবে।
যেমন-
১/ আপনার C বর্ণটি প্রয়োজন কিন্তু ঐ কী প্রেস করলেও C অক্ষরটি আসেনা মানে কী-বোর্ডের C কী টি কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি Alt(ALT) কী চেপে ধরে রেখে 067 চাপলে আপনি C বর্ণটি পেয়ে যাবেন। এভাবে প্রত্যেকটি বর্ণ পাওয়া যাবে।

২/ আপনার Kবর্ণটি প্রয়োজন কিন্তু ঐ কী প্রেস করলেও K বর্ণটি আসেনা মানে কী-বোর্ডের K কী টি কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি Alt(ALT) কী চেপে ধরে রেখে 075 চাপলে আপনি K বর্ণটি পেয়ে যাবেন। এভাবে প্রত্যেকটি বর্ণ পাবেন।

Alt+065= A
Alt+066= B
Alt+067= C
Alt+068= D
Alt+069= E
Alt+070= F
Alt+071= G
Alt+072= H
Alt+073= I
Alt+074= J
Alt+075= K
Alt+076= L
Alt+077= M
Alt+078= N
Alt+079= O
Alt+080= P
Alt+081= Q
Alt+082= R
Alt+083= S
Alt+084= T
Alt+085= U
Alt+086= V
Alt+087= W
Alt+088= X
Alt+089= Y
Alt+090= Z

সতর্কীকরণঃ অনুমতি ছাড়া কেউ কপি পেষ্ট করে অন্য কোথাও প্রকাশ করার চেষ্টা করবেন না।

বিকল্প পদ্ধতিতে A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণগুলো লেখা (Small Letter)

যদি আপনার কী-বোর্ডে A-Z পর্যন্ত যেকোন একটি বা তারও বেশী কী কাজ না করে তাহলে বিকল্প পদ্ধতিতে নিচের কীগুলো প্রেস করলে প্রয়োজনীয় বর্ণগুলো পাওয়া যাবে।
যেমন-

১/ আপনার f(এফ) বর্ণটি প্রয়োজন কিন্তু ঐ কী প্রেস করলেও f(এফ) অক্ষরটি আসেনা মানে কী-বোর্ডের f কী টি কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি Alt(ALT) কী চেপে ধরে রেখে 102 চাপলে আপনি f(এফ) বর্ণটি পেয়ে যাবেন। এভাবে প্রত্যেকটি বর্ণ পাওয়া যাবে।

২/ আপনার p(পি) বর্ণটি প্রয়োজন কিন্তু ঐ কী প্রেস করলেও p(পি) বর্ণটি আসেনা মানে কী-বোর্ডের p(পি) কী টি কাজ করে না। এই অবস্থায় আপনি Alt(ALT) কী চেপে ধরে রেখে 112 চাপলে আপনি p(পি) বর্ণটি পেয়ে যাবেন। এভাবে প্রত্যেকটি বর্ণ পাবেন।

Alt+097= a
Alt+098= b
Alt+099= c
Alt+100= d
Alt+101= e
Alt+102= f
Alt+103= g
Alt+104= h
Alt+105= i
Alt+106= j
Alt+107= k
Alt+108= l
Alt+109= m
Alt+110= n
Alt+111= o
Alt+112= p
Alt+113= q
Alt+114= r
Alt+115= s
Alt+116= t
Alt+117= u
Alt+118= v
Alt+119= w
Alt+120= x
Alt+121= y
Alt+122= z

সতর্কীকরণঃ অনুমতি ছাড়া কেউ কপি পেষ্ট করে অন্য কোথাও প্রকাশ করার চেষ্টা করবেন না।

প্রশ্ন এবং উত্তরে বরগুনা জেলা

১। বরগুনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?

উত্তরঃ ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

২। বরগুনা জেলার আয়তন কত?

উত্তরঃ ১৯৩৯.৩৯ বর্গ কি:মি:।

৩। বরগুনা জেলার সীমানা কি?

উত্তরঃ উত্তরে ঝালকাঠী, বরিশাল, পিরোজপুর ও পটুয়াখালী জেলা; দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলা ও বঙ্গোপসাগর; পূর্বে পটুয়াখালী জেলা এবং পশ্চিমে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা।

৪। বরগুনা জেলার নামকরণ এবং এর ইতিহাস কি?

উত্তরঃ বরগুনা নামের ইতিহাসের সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য না পাওয়া গেলেও জানা যায় যে, উত্তরাঞ্চলের কাঠ ব্যবসায়ীরা এতদ্ঞ্চলে কাঠ নিতে এসে খরস্রোতা খাকদোন নদী অতিক্রম করতে গিয়ে অনুকুল প্রবাহ বা বড় গোনের জন্য এখানে অপেক্ষা করত বলে এ স্থানের নাম বড় গোনা। কারো মতে আবার স্রোতের বিপরীতে গুন(দরি)টেনে নৌকা অতিক্রম করতে হতো বলে এ স্থানের নাম বরগুনা । কেউ কেউ বলেন , বরগুনা নামক কোন প্রতাপশালী রাখাইন অধিবাসীর নামানুসারে বরগুনা । আবার কারো মতে বরগুনা নামক কোন এক বাওয়ালীর নামানুসারে এ স্থানের নামকরণ করা হয় বরগুনা ।

তৎকালিন বৃটিশ আমলে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ১৮৭১ সনে পটুয়াখালী মহকুমা সৃষ্টি হয় । তখন এ মহকুমায় পটুয়াখালী,মির্জাগঞ্জ,গুলিশাখালী ,বাউফল ও গলাচিপাসহ মোট ৫টি থানা ছিল ।বামনা ও পাথরঘাটা ছিল মঠবাড়ীয়া থানাধীন ।এ সময় বরগুনা গুলিসাখালী থানাধীন ছিল। পরবর্তীতে উক্ত শতাব্দীর শেষ দিকে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য বামনা ,পাথরঘাটা,বরগুনা বেতাগী ও খেপুপাড়া থানার সৃষ্টি হয় ।থানা হিসাবে নামকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রে বরগুনার নাম স্থান পায় ।চতুর্দশ শতাব্দীতে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চল ছিল বাকেরগঞ্জের অধীন । আঠারো শতকের মধ্যভাগে পূর্ব বাংলার আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন আগাবাকের খান।তাঁর জমিদারী ছিল বাকলা চন্দ্রদ্বীপে। পটুয়াখালী ও বরিশালকে বলা হতো বাকলা চন্দ্রদ্বীপ ।শাসনকার্য পরিচালনার জন্য বৃটিশ সরকার ১৭৯৭ সনে ৭ নং রেজুলেশন অনুসারে আগাবাকের খানের নামনুসারে বাকেরগঞ্জ জেলার সৃষ্টি করেন ।শান্তি শৃংখলা রক্ষার জন্য এবং জলদস্যুদের আক্রমন প্রতিহত করার জন্য উনিশ শতকের প্রথম দিকে বিশখালী নদীর তীরে ফুলঝুড়িতে একটা অস্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ণির্মাণ করা হয় ।পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে বরগুনাতে স্থায়ীভাবে ১ টি পুলিশ ষ্টেশন স্থাপন করা হয় ও গুলিশাখালী থানাকে আমতলী ও বরগুনা নামে দুটি পৃথক থানা করা হয় । পরবর্তীকালে বঙ্গোপসাগরে চর পড়তে থাকে এবং সুন্দরবন অঞ্চল আবাদ হয়ে বিরাট জনপদের সৃষ্টি হয় । এভাবে বরগুনা থানার পরিধিও বিস্তার লাভ করে ।

৫। বরগুনা জেলায় কি কি যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে?

উত্তরঃ প্রধানত: নদীপথে লঞ্চযোগে এবং সড়ক পথে ।

৬। বরগুনা জেলার জনসংখ্যা এবং জনসংখ্যা ঘনত্ব কত?

উত্তরঃ ৯,২৭,৮৯০ জন। ২০১১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী।

১. পুরুষঃ ৪,৫৪,৬৩৬ জন।

২. মহিলাঃ ৪,৭৩,২৫৪ জন।

জনসংখ্যার ঘনত্বঃ ৪৭৯ জন (প্রতি বর্গ কিঃমিঃ)।

৭। বরগুনা জেলায় উপজেলা কয়টি এবং কি কি?

উত্তরঃ উপজেলা ০৬ টি। বরগুনা সদর, বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা, আমতলী এবং তালতলী।

৮। বরগুনা জেলায় থানা কয়টি এবং কি কি?

উত্তরঃ থানা ০৬ টি। বরগুনা সদর, বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা, আমতলী এবং তালতলী।

৯। বরগুনা জেলায় পৌরসভা কয়টি এবং কি কি?

উত্তরঃ পৌরসভা ০৪ টি। বরগুনা সদর, বেতাগী, পাথরঘাটা ও আমতলী।

১০। বরগুনা জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ কয়টি?

উত্তরঃ ইউনিয়ন পরিষদ ৪২ টি।

বরগুনা সদরঃ ১০টি।

আমতলীঃ ৭টি।

তালতলীঃ ৭টি।

বামনাঃ ০৪ টি।

বেতাগীঃ ০৭টি।

পাথরঘাটাঃ ০৭ টি।

১১। বরগুনা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র কয়টি?

উত্তরঃ ২২৪ টি।

১০৯-বরগুনা-১ (বরগুনা সদর ও আমতলী) ১২৮ টি।

১১০-বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী) ৯৬ টি (উৎসঃ জেলা নির্বাচন অফিস, বরগুনা)

১২। বরগুনা জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা কত?

উত্তরঃ ৫,৯৮,০৭৭ টি (ভোটারঃ ২০১২ সন) (উৎসঃ জেলা নির্বাচন অফিস, বরগুনা)।

১. পুরুষ ভোটারঃ ২,৯২,৮১৭ জন।

২. মহিলা ভোটারঃ ৩,০৫,২৬০ জন।

১৩। বরগুনা জেলায় সংসদ সদস্য কত জন এবং তাদের নাম কি?

উত্তরঃ ২ জন।

১০৯-বরগুনা-১ (বরগুনা সদর ও আমতলী) এ্যডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

১১০-বরগুনা-২ (বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী) জনাব শওকত হাচানুর রহমান।

১৪। বরগুনা জেলার উপজেলা চেয়ারম্যান কত জন এবং তাদের নাম কি?

উত্তরঃ ৬ জন।

বরগুনা সদর উপজেলাঃ মোঃ আব্বাস হোসেন মন্টু

বেতাগী উপজেলাঃ মোঃ শাহজাহান কবির

বামনা উপজেলাঃ মোঃ সাইদুল ইসলাম লিটু

পাথরঘাটা উপজেলাঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম

আমতলী উপজেলাঃ জি এম দেলোয়ার

তালতলী উপজেলাঃ মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু

১৫। বরগুনা জেলার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কত জন এবং নাম কি?

উত্তরঃ ১২ জন।

বরগুনা সদর উপজেলাঃ মোঃ মহিবুল্ল্যা এবং শারমিন সুলতানা

বেতাগী উপজেলাঃ মোঃ আব্দুস ছোবাহান এবং আমিনা বেগম

বামনা উপজেলাঃ গোলাম সাব্বির ফেরদৌস তালুকদার এবং নাজমুন নাহার

পাথরঘাটা উপজেলাঃ মোঃ জামাল আহম্মেদ এবং ফাতিমা পারভীন

আমতলী উপজেলাঃ মোঃ মজিবুর রহমান এবং মাকসুদা আক্তার জোসনা

তালতলী উপজেলাঃ খলিলুর রহমান এবং মাকসুদা আক্তার

১৬। বরগুনা জেলার পৌরসভার মেয়র কত জন এবং নাম কি?

উত্তরঃ ৪ জন।

বরগুনাঃ জনাব মোঃ সাহাদাত হোসেন

বেতাগীঃ জনাব আলতাফ হোসেন

পাথরঘাটাঃ জনাব মল্লিক মোহাম্মদ আইউব

আমতলীঃ জনাব মোঃ মতিউর রহমান

১৭। বরগুনা জেলার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কত জন এবং নাম কি?

উত্তরঃ

বরগুনা সদরঃ

বদরখালীঃ মোঃ জিয়াউল হাসান হিরু

গৌরিচন্নাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম

ফুলঝুড়িঃ মোঃ জাকির হোসেন

কেওড়াবুনিয়াঃ মোঃ আঃ হাকিম

আয়লা পাতাকাটাঃ মীর নুরুল হক

বুড়িরচরঃ মোঃ সিদ্দিক রহমান

ঢলুয়াঃ আলহাজ্জ আজিজুল হক স্বপন

বরগুনা সদরঃ মোঃ আবু জাফর

বালিয়াতলীঃ এম এ বারী বাদল

নলটোনাঃ মোঃ সফিকুজ্জামান

বেতাগীঃ

বিবিচিনিঃ মোঃ আনিচুর রহমান

বেতাগীঃ খ.ম ফাহরিয়া সংগ্রাম আমিনুল

হোসনাবাদঃ মোঃ মাকসুদুর রহমান ফোরকান

মোকামিয়াঃ মোঃ মাহবুব আলম

বুড়ামজুমদারঃ মোঃ রেজাউল কবির

কাজীরাবাদঃ মোঃ মোশাররফ হোসাইন

সড়িষামুড়িঃ মোঃ ইউসুফ শরীফ

বামনাঃ

বুকাবুনিয়াঃ মোঃসাইদুর রহমান সবুজ

বামনাঃ মোঃ এনায়েত কবির হাং

রামনাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম

ডৌয়াতলাঃ গোলাম হায়দার হেমায়েত (ভারপ্রাপ্ত, প্যানেল চেয়ারম্যান)

পাথরঘাটাঃ

রায়হানপুরঃ মোঃ মিজানুর রহমান (রুপক)

নাচনাপাড়াঃ মোঃ ফরিদ খান (ভারপ্রাপ্ত, প্যানেল চেয়ারম্যান)

কালমেঘাঃ বেগম রুর আফরোজা হেপী

কাকচিড়াঃ মোঃ আলাউদ্দিন পল্টু

কাঠালতলীঃ মোঃ হাবিবুর রহমান

পাথরঘাটাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান

চরদুয়ানীঃ এম কামরুল ইসলাম

আমতলীঃ

গুলিসাখালীঃ এ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম

কুকুয়াঃ মোঃ কায়েসুর রহমান

আঠার গাছিয়াঃ মোঃ হারুন-আর-রশিদ

হলদিয়াঃ মোঃ সহিদুল ইসলাম

চাওড়াঃ মোঃ আখতারুজ্জামান খান (বাদল)

আমতলীঃ মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা

আরপাঙ্গাশিয়াঃ আবুল কলাম আজাদ

তালতলীঃ

পচাকোড়ালিয়াঃ মোঃ নজিউর হোসেন কালু পাটোয়ারি

ছোটবগীঃ বর্তমানে শূন্য

কড়ইবাড়িয়াঃ নূর মোহাম্মদ

শারিক খালীঃ মোঃ জাকির হোসেন বাবুল হাওলাদার

বড়বগীঃ আলমগীর মিয়া(আলম মুন্সি)

নিশানবাড়িয়াঃ মোঃ দুলাল ফরাজী

সোনাকাটাঃ ফরাজী মোঃ ইউনুস

১৮। বরগুনা জেলার শিক্ষার হার কত?

উত্তরঃ ৫৭.৬০ %। পুরুষঃ ৫৯.২০%, মহিলাঃ ৫৬.১০%।

১৯। বরগুনা জেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়টি?

উত্তরঃ বরগুনা জেলায় মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১৩০৮ টি।

কলেজঃ ২৪ টি। সরকারি ২ টি এবং বেসরকারি ২২ টি।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ১৭৭ টি। সরকারি ২ টি এবং বেসরকারি ১৭৫ টি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৭৩২ টি। সরকারি ৩৭৯ টি এবং বেসরকারি ৩৫৩ টি।

মাদরাসাঃ ৩৩৫ টি। উচ্চতর ১৩২ টি এবং এবতেদায়ী ২০৩ টি।

বি.এড কলেজঃ ১ টি (বেসরকারি)।

পি.টি.আইঃ ১ টি (সরকারি)।

পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটঃ ১ টি (সরকারি)।

টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজঃ ২ টি। সরকারি ১ টি এবং বেসরকারি ১ টি।

টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইন্সটিটিউটঃ ১ টি (সরকারি)।

২০। বরগুনা জেলায় আধুনিক হাসপাতাল কয়টি?

উত্তরঃ ১ টি।

২১। বরগুনা জেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কয়টি?

উত্তরঃ ৫ টি।

২২। বরগুনা জেলায় আশ্রায়ণ প্রকল্প কয়টি?

উত্তরঃ ৩২  টি।

২৩। বরগুনা জেলায় হাট-বাজার কয়টি?

উত্তরঃ ১১৮ টি।

২৪। বরগুনা জেলায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র কয়টি?

উত্তরঃ ৩২৪ টি। প্রস্তাবিত ৩১২ টি।

২৫। বরগুনা জেলায় মাটির কিল্লা কয়টি?

উত্তরঃ ২ টি।

২৬। বরগুনা জেলায় আদর্শ গ্রাম কয়টি?

উত্তরঃ ৭ টি।

২৭। বরগুনা জেলায় কি কি কৃষি পণ্য আছে?

উত্তরঃ ধান, রবিশস্য, ডাল, মরিচ, আলু, কুমড়া, তরমুজ ইত্যাদি।

২৮। বরগুনা জেলায় ফসলী জমির পরিমাণ কত?

উত্তরঃ এক ফসলীঃ ৩৭৩৩১ হেক্টর, দো-ফসলীঃ ৩৭৭৫০ হেক্টর, তিন ফসলীঃ ২৯০০০ হেক্টর।

২৯। বরগুনা জেলায় সাময়িক পতিত জমির পরিমাণ কত?

উত্তরঃ ৩৩৪০০ হেক্টর।

৩০। বরগুনা জেলায় স্থায়ী পতিত জমির পরিমাণ কত?

উত্তরঃ ১০০০হেক্টর।

৩১। বরগুনা জেলায় মোট ফসলী জমির পরিমাণ কত?

উত্তরঃ ১,৯৯,৮৩১ হেক্টর।

৩২। বরগুনা জেলায় মোট নীট ফসলী জমির পরিমাণ কত?

উত্তরঃ ১০৪০৮১ হেক্টর।

৩৩। বরগুনা জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ কি কি?

উত্তরঃ ফাতরার চর, আশার চর, হরিণঘাটা বনাঞ্চল ও লালদিয়ার চর ও সমুদ্র সৈকত, রাখাইন পল্লী তালতলী, বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সোনাকাটা ফরেস্ট, ছোনবুনিয়া, মাঝেরচর।

৩৪। বরগুনা জেলার বিখ্যাত ব্যাক্তিদের নাম কি কি?

উত্তরঃ ১। অধ্যাপক সৈয়দ ফজলুল হক। জন্মঃ ৮জুলাই, ১৯২০ সালে। তিনি ১৯২০ সালের ৮ই জুলাই মাসের ৮ তারিখ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানায় রায়হানপুর গ্রা্মে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৫ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারী মৃত্যুবরন করেন।

২। জনাব সেলিনা হোসেন। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজসাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ভাইজোড়া, ডাকঘর- ডৌয়াতলা, উপজেলা- বামনা, জেলা- বরগুনা

৩। শাহজাদা আবদুল মালেক খান। তিনি বরগুনা জেলার বেতাগী থানার কাউনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এবং ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসের ১ তারিখ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সুত্র: বরগুনা জেলার ওয়েব সাইট থেকে সংগৃহিত।

এন্ড্রয়েড ফোনের একটি অসাধারণ রেকডিং সফটওয়্যার

আমাদের অনেকের বিভিন্ন সময়ে ভয়েস অথবা মিউজিক (এফএম/টিভি’র নাটকের) রেকর্ড করার প্রয়োজন পরে। যেমন: রেডিওতে একটি গান প্লে করছে যে গানটি আমার মনকে নাড়া দিয়েছে। সেক্ষেত্রে গানটির কিছু অংশ রেকর্ড করে রাখতে পারি, যা পরবর্তিতে সংগ্রহ করা যাবে। আবার কখনও কখনও ক্লাস রুমে স্যার লেকচার দিচ্ছে যে লেকচারটি হুবহু রাখা দরকার, সেক্ষেত্র লেকচারটি রেকর্ড করে রাখতে পারি। এরকম আরো অনেক কিছু।

আর এই কাজটি করার জন্য একটি রেকর্ডিং সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন। যে সফটওয়্যারের কথা বলছি তাহার কিছু কিছু সুন্দর বৈশিষ্ট আছে। এর মধ্যে যেটি মুল সেটি হচ্ছে এর রেকর্ড সাউন্ড। অর্থাৎ রেকর্ড করার পর এর সাউন্ড কোয়ালিটি খুবই ভাল। অন্যগুলো হচ্ছে- mp3 ফরমেটে রেকর্ড হয়, রিযিউম করা যায় এবং রেকর্ডিং অবস্থায় সবসময় উইন্ডো ওপেন থাকতে হয়না অর্থাৎ কুইক প্যানেল’এ আইকন আকারে থাকে। রেকর্ড চলা অবস্থায় ফোন লক করে রাখারর পরও রেকর্ডিং চলতে থাকে। এছাড়াও অনেক অপশন আছে। যা নিজে নিজেই পারা যায়।

ডাউনলেড লিংকঃ

মোবাইল থেকে

১। Panda(মোবাইল দিয়ে সরাসরি ইন্সটল হবে)

২। Google Play(মোবাইল দিয়ে সরাসরি ইন্সটল হবে)

৩। Media Fire

রেকর্ড করার জন্য যে কাজগুলো করতে হবে তাহা ধাপে ধাপে দেওয়া হল:

১।প্রথমে High Quality MP3 Recorder (উপরের লিংক থেকে অথবা প্লে স্টোরে সার্চ করে HQ-MP3 Recorder) এপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে হবে।

২।এরপর সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হবে।

৩।ইন্সটল করার পর ওপেন করতে হবে।ওপেন করলে নিচের মত আসবে।

HiQuality MP3 Re

৫। লাল বাটনটিতে ক্লিক করার পর রেকর্ড শুরু হবে।

৬।কালো বাটনে ক্লিক করার পর রেকর্ড শেষ হবে।

রিযিউম করতে চাইলে প্রথমে লাল বাটনে ক্লিক করে রেকর্ডিং শুরু করতে হবে। এরপর যখন রিযিউম করব তখন আবার লাল বাটনেই দ্বিতীয় ক্লিক করতে হবে। যখন রেকর্ড করা শেষ তখন কালো বাটনে ক্লিক করতে হবে।

HiQuality MP3 Re-1

পরামর্স: FM রেডিও থেকে রেকর্ড করার সময় ভাল মানের সাউন্ড পেতে হলে হেডফোন বা ইয়ার ফোন লাগিয়ে গান শুনতে হবে অথবা লাউড স্পীকারে কম বলিউমে শুনতে হবে।রেডিওর বলিউম এইটুক পরিমাণ দিতে হবে যাহাতে রেকর্ডারের ডিসপ্লেতে লাল দাগ চলে না আসে। সাউন্ড কোয়ালিটি ভাল হয় হলুদ দাগে থাকলে। এতে সাউন্ডও বেশী হবে এবং কোয়ালিটিও ভাল হয়।

সবশেষে: যিনি সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন তাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই।

Name, Symbol and Unit of (পর্ব-২)

NAME

SYMBOL

UNIT

Angular Velocity

w

Radian per second (rad/s)

Force

F

Newton (N)

Torque

T or M

Newton meter (N m)

Power

P

Watt (W)

Efficiency

h

None

Temperature

q

Degree Celsius ()

Charge

Q

Coulomb (C)

Electric Potential

V

Volt (V)

Electromotive Force

E

Volt (V)

Electric Resistance

R

Ohm (W)

Categories: পড়ালেখা

Name, Symbol and Unit of (পর্ব -১)

NAME

SYMBOL

UNIT

Work or Energy

W

Joule (J)

Mass

m

Kilogram (kg)

Length

l

Meter (m)

Time

T

Second (s)

Electric Current

I

Ampere (A)

Area

A

Square Meter ()

Volume

V

Cubic Meter ()

Velocity

u

Meter (m/s)

Acceleration

A

Meter per second squared (m/)

Angular Velocity

w

Radian per second (rad/s)

Force

F

Newton (N)

Torque

T or M

Newton metre (N m)

Power

P

Watt (W)

Efficiency

h

None

Temperature

q

Degree Celsius ()

Charge

Q

Coulomb (C)

Electric Potential

V

Volt (V)

Electromotive Force

E

Volt (V)

Electric Resistance

R

Ohm (W)

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 231 other followers

%d bloggers like this: